২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয় করে স্পেন। তখন ইউরো সহ আরো একাধিক শিরোপা পায় দলটি। স্পেনের তখনকার দলকে বলা হয়েছিল তাদের স্বর্নালী সময়। ক্যাসিয়াস, জাভি, ইনিয়েস্তা, র্যামোস, বুস্কেটস, ভিলা, আলবা, টরেস সহ নামীদামী তারকারা ছিল স্পেন দলে। কিন্ত তাদের থেকে কেউই পাননি ব্যালন ডি অর।
আর এখানেই যেন উঠে আসে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর রাজত্ব। ফুটবলকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন এই দুইজন, তাদের সমসাময়িক অন্য খেলোয়াড়রা তাদের কাছেও আসতে পারেননি। এমনটাই মনে করেন পেপ গার্দিওলা। আর সেখানে রোনালদোর প্রশংসায় উচ্চবাক্য করলেও মেসিকে যেন পুরোটাই প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ- এই বছরের ব্যালন ডি’অরে প্লেয়ার, কোচ, ক্লাব সহ যারা সেরা হয়েছেন
২০২৪ সালের ব্যালন ডি অর অর্জন করেন রদ্রি। তর্ক বিতর্ক থাকলেও অনেকেই মনে করেন ব্যালন জয়ের যোগ্যতা রদ্রির ছিল। রদ্রির জয়ে দুইদিক থেকেই আনন্দ পাওয়ার কথা গার্দিওলার। রদ্রির দেশ স্পেনেরই নাগরিক গার্দিওলা, আর ক্লাবে রদ্রিকেই করান কোচিং। আর সেখানে রদ্রির ব্যালন ডি অর পাওয়ার দিনে উঠে এসে এর আগে কোন স্প্যানিশ খেলোয়াড়ের ব্যালন না পাওয়ার প্রসঙ্গে। সেই প্রসঙ্গেই মেসি ও রোনালদোর নাম উল্লেখ করেন গার্দিওলা। রোনালদোকে বলেন দানব, আর মেসিকে বলেন দানবেরও পিতা
গার্দিওলা বলেন “ গত এক দশকে স্পেনের ফুটবলে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এই সময়ে তারা বিশ্বকাপ ও ইউরো জয় করেছে। কিন্ত এই সময়ে স্পেনের কেউ ব্যালন ডি অর পাননি৷ আমি এর আগে বারবার উল্লেখ করেছি জাভি ও ইনিয়েস্তার মত খেলোয়াড় ব্যালন ডি অর পাননি। এর কারণ মেসির অতীদানবীয়তা। কেউ তাকে হারাতে পারেনি। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো একজন দানব, এর সাথে মেসি যেন দানবের পিতা। এই দুইজন গত ১৫-২০ বছর ধরে যা করে আসছে সেটা অবিশ্বাস্য। এই সময়ে জাভি ইনিয়েস্তারও এই পুরষ্কার প্রাপ্য ছিল বটে, তবে রদ্রি গতকাল যা পেলেন তা স্প্যানিশ ফুটবলের প্রাপ্য”
২০১০ সালের পর আবারো পুর্ণজাগরণ ঘটেছে স্পেনের ফুটবলে। রদ্রি ছাড়াও আছে ইয়ামাল, নিকো, অলমোদের মত প্রতিভারা। তাই এরা ভিনি, এমবাপ্পেদের হারিয়ে জিতে নিচ্ছে ব্যালন ডি অর৷ তবে এর চেয়েও অধিক প্রতিভাবানরা ব্যালন ডি অর জিততে পারেননি মেসি রোনালদোর জন্য। ফুটবলে নিজেদের উচ্চতা অনেক উপরেই রেখেছেন এই দুইজন।




