বহুদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে আছেন ইমরুল কায়েস। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে বাদ পড়ার পর জাতীয় দলে আর দেখা যায়নি বাঁহাতি এই ব্যাটারকে। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিয়মিত দেখা যায় এই ক্রিকেটারকে। আগামী ১৪ অক্টোবর শুরু হবে এই আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট। এই ড্রাফটকে সামনে রেখে ক্রিকেটারদের গ্রেডিং প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আরও পড়ুনঃ- বিপিএলে চট্টগ্রামের হয়ে খেলবেন সাকিব আল হাসান
এবার ক্রিকেটারদের গ্রেডিং দেখে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইমরুল কায়েস। কায়েসের দাবী শুধু কি নাম দেখেই বিপিএলে গ্রেডে রাখা হয়। গত আসরে যারা পারফরম্যান্স করেছেন তাদের রাখা হয়েছে ‘সি’ গ্রেডে কিন্তু যারা বিপিএলে অনিয়মিত তাদের রাখা হয়েছে ‘বি’ গ্রেডে। এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।
এক সময়ের বাংলাদেশের নিয়মিত ওপেনার গ্রেডিংয়ের প্রসঙ্গে বলেন, ‘ বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে ক্রিকেটারদের গ্রেডিং দেখে চিন্তা করছি গ্রেডিংটা আসলে কিসের ভিত্তিতে করা হয়। জাতীয় দল, সারা বছরের ঘরোয়া পারফরম্যান্স, বিপিএলের পারফরম্যান্স নাকি শুধু নাম দেখে করা হয়। বছরজুড়ে ক্রিকেটের আশেপাশে না থাকা ক্রিকেটারের জায়গা হলো ‘বি’ গ্রেডে। অথচ গত বিপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা ক্রিকেটাররা ‘সি’ গ্রেডে। তবে কি শুধু নাম কিংবা চেহারা দেখেই বিপিএলের ড্রাফটের গ্রেড নির্ধারণ করা হয়।’
২০১৯-২০ মৌসুমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ১৩ ম্যাচে ৪৪২ রান করেছিলেন কায়েস। বিপিএলে ভালো করে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক না পাওয়ার বিষয়েও নিজের মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের এই বাঁহাতি ওপেনার। ক্রিকেটে নিজের দুর্দিন শেষ না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ইমরুল। এই বিষয়ে কায়েস আরও বলেন, ‘ ২০১৯-২০ মৌসুমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ১৩ ম্যাচে ৪৪২ রানও করেছিলাম। কিন্তু এমন পারফরম্যান্সের পরও আমাকে জাতীয় দলে ডাকা হয়নি। এমনকি জাতীয় দলের কোন ক্যাম্পেও রাখা হয়নি। তবে কি বিপিএলে পারফর্ম না করলেই বাদ? কিন্তু পারফর্ম করলে, সেটাও তো বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে না। আমাদের ক্রিকেটের দুর্দিন কি তবে শেষ হবে না।’




