June 21, 2024
House #1, Road #17, Rupnagar Residential Area, Mirpur, Dhaka-1216
ক্রিকেট বাংলাদেশ

ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত মিরাজ : কৃতিত্ব দিলেন সাকিবকে

অনুর্ধ্ব-১৯ দলে পুরো অলরাউন্ডার হয়েই খেলে এসেছেন। তবে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর থেকে বোলার মিরাজকেই বেশি কার্যকরী মনে হতো। ব্যাট করতেন লোয়ার মিডল অর্ডারে। তবে মাঝে মধ্যেই হুটহাট ওপেনিংয়ে দেখা যেত মিরাজকে। জাতীয় দলে অত না হলেও বিপিএলের মতো ঘরোয়া আসরে মিরাজের ওপেনিং বা টপ অর্ডারে ব্যাট হাতে নামতে দেখা যেত প্রতিনিয়ত। ২০১৮ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে লিটন দাসের সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ওপেনিংয়ে ব্যাট করেন মিরাজ। সেই ম্যাচেও ৩২ রানের একটা কার্যকরী ইনিংস খেলেছিল মিরাজ। এরপর মাঝেমধ্যেই জাতীয় দলে মিরাজকে টপ অর্ডারে ব্যাট করতে দেখা গেছে। তবে গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে শতরান করার পর থেকে যেন এক নতুন মিরাজের সৃষ্টি হয়েছে। এরপর থেকে প্রতিনিয়তই টপ অর্ডারে দেখা যাচ্ছে মিরাজকে এবং দলের প্রত্যাশা অনুযায়ী সাবলীল ব্যাটিংও করছেন তিনি। বিশ্বকাপের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে তিনে ব্যাট করে দুই ম্যাচেই পেয়েছিলেন অর্ধশতকের দেখা। তারই ধারাবাহিকতা দেখা গেল মূল পর্বে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচেও। ১৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই তানজিদ তামিম আউট হলে ক্রিজে আসেন মিরাজ। দলীয় ২৭ রানে লিটন আউট হওয়ার পর শান্তকে নিয়ে দারুণ এক জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন মিরাজ। পেয়েছেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম অর্ধশতকের দেখা। ৫ চারের সহায়তায় ৭৩ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

 

এর আগে বল হাতেও দারুণ ছন্দে দেখা যায় মিরাজকে। আফগানিস্তানকে অল্প রানে আটকানোয় বড় ভূমিকা রেখেছেন এই অলরাউন্ডার। ৯ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৫ রানে তিন উইকেট লাভ করেন তিনি।

 

ব্যাটে বলে দারুণ নৈপুণ্যতার দরুন ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন মিরাজ।

 

বিশ্বকাপে প্রথমবার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হওয়ার পর কৃতিত্ব দেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে।

 

 

মিরাজ বলেন, ‘অসাধারণ এক মুহূর্ত আমার জন্য। অতীতে প্রচুর পরিশ্রম করেছি আমি। টিম ম্যানেজমেন্টকে কৃতিত্ব দিতে হবে কারণ তার আমার ওপর আস্থা রেখেছিল। বোলিংয়ের সময় আমি কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম। অধিনায়ক আমাকে বলেছে কেবল সঠিক জায়গায় বল করে যেতে। তিনি আমাকে বলেছেন ধারাবাহিক থাকতে এবং নিজের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দিতে। তাই কৃতিত্ব দিতে হবে তাকে। ‘

 

‘রানের খোঁজে না থেকে আমি বল বাই বল এগিয়েছি। উইকেটে কিছুটা স্পিন ছিল। আমি কেবল সোজা ব্যাটে খেলার চেষ্টা করেছি। আমি সবসময়ই আটে ব্যাট করেছি, তাই টপ অর্ডারে ব্যাট করাটা আমার জন্য অসাধারণ এক মুহূর্ত। গত কয়েক ম্যাচে তারা চেষ্টা করেছে টপ অর্ডারে খেলানো তাই এটা আমার জন্য এক অসাধারণ মুহূর্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *